I KNOW I AM WHO AND WHAT

I AM

image
Hello,

I'm Mohammad Shahidul Islam Sharif

I am known as “Fundamental Sharif” in the virtual area. The word ‘Fundamental’ before my name is just only a word to most of the people but this simple word means a lot to me. This word is like a driving power, a fuel to me and to my life. This ‘fuel’ has changed my life, its path and its meaning. At first there was no specific reason behind obtaining this name. The “Mental” prefix after the word “Fundamental” gave me a lot of fun and encourage me in choosing the name… :p I am the second child of my parents. My elder sister is studying in Dhaka University. My father is an immigrant and my mother is a housewife. Now I am living in Dhaka. I was born on 14th December, 1992 at a small town of Comilla. But my parents gradually moved out at Dhaka when I was 2. My academic life started from the kindergarten right beside my house. Afterwards, my primary school life spent on “Kadamtala Purbo Bashaboo Secondary High School” which is now known as “KPB Secondary High School”. My higher secondary life was spent in Dhaka College, one of the famous college in Dhaka. At present I am having my high school carrier in Dhaka City College at Department of Business Administration.

At present I am working with SEO in website like Upwork, Guru and Fiverr. Beside that I am making Bengali tutorials relating SEO in YouTube. I am also making funny interesting videos for my YouTube channel. The main purpose of making video is to have fun after seeing them after 8/10 years. Again I am writing a few books and also trying to establish a business of my own. I like to be honest in each and every stage of my life. I truly believe that • Each and every person have some fundamental characteristics prevailing in them. • I know who I am and how I am. • Honesty is the only way through which one can achieve his success


Education
Dhaka City Collage

Under National University

Bachelor of business administration

Major- Finance

Dhaka College

science

Year - 2012

Kadomtola Purbo Bashaboo Highe School and Collage

science

Year - 2010


Experience
Brand Promoter

Crown Cement

Year - 2018

SEO Counsaltent

China EduCare

Year - 2017


My Skills
SEO
Social Networking
Branding
Marketing
Youtube Video and Marketing

3

Awards Won

1664

Happy Customers

2964

Projects Done

1564

Photos Made

WHAT CAN I DO

Web Design

Fusce quis volutpat porta, ut tincidunt eros est nec diam erat quis volutpat porta

Responsive Design

Fusce quis volutpat porta, ut tincidunt eros est nec diam erat quis volutpat porta

Graphic Design

Fusce quis volutpat porta, ut tincidunt eros est nec diam erat quis volutpat porta

Clean Code

Fusce quis volutpat porta, ut tincidunt eros est nec diam erat quis volutpat porta

Photographic

Fusce quis volutpat porta, ut tincidunt eros est nec diam erat quis volutpat porta

Unlimited Support

Fusce quis volutpat porta, ut tincidunt eros est nec diam erat quis volutpat porta

SOME OF WORK

একটি হাসির গল্প

একটি হাসির গল্প

এক জন বিরাট ধনী তার বাগান বাড়ির পেছনের পুকুরে কুমির পুষতেন।

একদিন তিনি তার বাড়িতে বিশাল এক পার্টি দিলেন। নানা জায়গা থেকে বহু লোক এলো সেই পার্টিতে। প্রচুর মদ্যপান আর খাওয়া দাওয়ার পরে পুরাতন কালের মহারাজদের স্টাইলে ধনী লোকটি ঘোষণা করলেন, যে সাহস করে কুমির ভর্তি পুকুরটি সাঁতরে পার হতে পারবে তাকে তিনি হয় এক কোটি টাকা দেবেন না হয় তিনি তার কাছে তার সুন্দরী কন্যাকে সমর্পণ করবেন। 


কথাটি শেষ না হতেই ঝপাং করে একটি শব্দ। দেখা গেল এক জন লোক প্রান পণে সাঁতরাচ্ছে আর তার পিছনে তিনটা কুমির তাড়া করছে। সবাই পাড় থেকে লোকটা কে অজস্র উৎসাহ জুগিয়ে চলল। লোকটা অবশ্যই ভালই সাঁতার কাটে তার উপর প্রাণের মায়া। কোন মতে হাঁপাতে হাঁপাতে অক্ষত অবস্থায় অন্য পাড়ে উঠলো। ধনী লোকটি এগিয়ে এসে লোকটির হাত ধরে বললেন, আমি বিশ্বাস করতে পারিনি এত সাহস দেখানোর মত ক্ষমতা কারও থাকতে পারে। ইয়ং ম্যান তুমি কি চাও?আমার কন্যা, -না এক কোটি টাকা লোকটি তখনও হাঁপাচ্ছে। হাঁপাতে হাঁপাতে বলল, আমি আপনার কন্যাকেও চাইনা, আপনার এক কোটি টাকাও পেতে চাই না। আমি শুধু জানতে চাই কোন শালায় আমারে ধাক্কা মারছে .....😄😄



(সংগ্রহিত)

Find me - 
twitterFundamental Sharif
Yourtube - Fundamental Sharif



চারশো বছর বছরের পুরনো বটগাছ এবং তাকে ঘিরে যত কিংবদন্তী

চারশো-বছর-বছরের-পুরনো-বটগাছ-এবং-তাকে-ঘিরে-যত-কিংবদন্তী

ছোটবেলা থেকেই গ্রামবাংলার প্রচলিত কিছু ধারণার কথা শুনে এসেছি এবং অনেক গল্প বা ঘটনার কথাও শুনেছি ! সেসব গল্প বা ঘটনার অধিকাংশই ছিল কোন বটগাছ, তেঁতুল গাছ এবং বাঁশঝাড়কে কেন্দ্র করে। এই গল্প বা ঘটনাগুলো কতটুকু সত্য তা যেমন নিশ্চিত করে বলা মুশকিল ঠিক তেমনি গ্রামবাংলার প্রচলিত কিছু ধারণা বা বিশ্বাস যা যুগ যুগ ধরে মানুষ তাদের চিন্তা ধারায় বহন করছে, কিন্তু তাদের এ বিশ্বাসের সঠিক ব্যাখ্যা পাওয়াও ততটাই মুশকিল ! তবে এমন অদ্ভূত বিশ্বাসের মজবুত কোন ভিত্তিতো অবশ্যই আছে যার সন্ধান বিজ্ঞানীরা এবং গবেষকরা আজ অবদি খুঁজে পাননি।

এমনি এক প্রাচীন বটগাছের সন্ধান পাওয়া গেছে ভারতের পাঞ্জাবের ফতেহগড় সাহেব জেলার অন্তর্গত চরোটি খেড়ি গ্রামে। সেখানে একটি প্রাচীন বট গাছকে কেন্দ্র করে দানা বেঁধেছে এরকমই কিছু অদ্ভুত রহস্যের কথা।
অতিকায় এই বটগাছের বয়স প্রায় ৪০০ বছর! গ্রামের মানুষের যত ক্ষতিই হোক তবু তাঁরা বটগাছটি কাটা তো দূরের কথা গাছটির একটি শেকড়ও কেউ কাটেনা ! তাঁদের ধারণা, এই গাছের নাকি রয়েছে অলৌকিক সব ক্ষমতা! অনেক অনুসন্ধানী দলও কৌতুহলবশত দেখতে আসে এই বটগাছটিকে। কিন্তু সত্যি এই গাছ দেখলেই কেমন অন্যরকম অনুভূতি হয় গা ছম্‌ছম্‌ করে যেকোন মানুষেরস! বিস্তৃত বটগাছটির বিশাল দেহ। উপরে নীচে অনেকখানি অংশ জুড়ে আধিপত্য বিস্তার করছে প্রাচীন এই বটগাছটি। বটগাছটি যেন আস্তে আস্তে সব নিজের দখলে নিতে চাইছে আর যেন গাছটির দিকে আড়চোখে তাকানো মানুষদের দ্রুত সরে যেতে হুমকি দিচ্ছে! স্থানীয় মানুষের বিশ্বাস, কেউ এই গাছের একটি শেকড় কাটলেই কিছুদিনের মধ্যেই তাকে ঢলে পড়তে হবে অবধারিত মৃত্যুর কোলে।
এই বটগাছের আশেপাশে রয়েছে জনবসতি এবং কৃষিজমি। অন্য সব বটগাছের মত এই গাছের শেকড়ও সুযোগ পেলেই মাটির ভেতর দিয়ে ছড়িয়ে পড়ে আশেপাশের জমিতে। অনেক সময়ে পার্শ্ববর্তী কৃষিজমিতেও শক্তিশালী হানা দেয় গাছটির শেকড়!  মাটির নীচে বট গাছের মোটা শেকড় থাকলে চাষবাসের অসুবিধা হয়। ফলে সেই শেকড় কেটে ফেলাই বিধেয়। কিন্তু সেখানকার লোকজন কখনই এই গাছের শেকড় কাটেনা। কারণ যারাই নাকি কেটেছে এর শেকড় সে অথবা তাঁর নিকটতম আত্মীয় ঢলে পড়েছে মৃত্যুর কোলে অথবা আত্মহত্যা করেছে তাদের কেউ।
ঐ গ্রামের একজন বয়স্ক লোক অনিল চৌহান কে এই গাছ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে সে জানায়, সে তাঁর জীবনে এমন অনেক উদাহরণ দেখেছে যারা এই গাছের শেকড় কাটার কিছুদিনের মধ্যেই অস্বাভাবিকভাবে মারা গেছে, আত্মহত্যা করেছে অথবা তাঁর নিকট কোন আত্মীয় হঠাৎ করেই মারা গেছে। তাঁর যৌবনকালে এক কৃষকের কথা মনে আছে। যার জমিতেও এই গাছের শেকড় আটকে গিয়েছিল। ফলে সে এর একটি শেকড় কেটে ফেলে।শেকড় কাটার সাতদিন পরেই সে কলেরা হয়ে মারা যায়।
এছাড়া মাত্র বছর দশেক আগেও এক যুবক প্রচলিত এই ধারণা ভুল প্রমাণ করতে এর একটি শেকড় কাটে। কিন্তু তার ঠিক দশদিন পরে যুবকের স্ত্রী আত্মহত্যা করে! এসব বিভিন্ন ঘটনার কারণে এই গাছের শেকড় কেউ কাটে না যতই ক্ষতি হোক। প্রয়োজনে চাষাবাদ বন্ধ করে দিয়ে অন্যত্র চলে যায়।
আরেকদিকে চরোটি খেড়ির বাসিন্দাদের কাছে গাছটি শুধুমাত্র যে ভয়ের সামগ্রী তা নয়, বরং তাঁরা শ্রদ্ধাও করেন এই বটগাছটিকে। কারণ তাঁদের বিশ্বাস, এই গাছে নাকি বৃক্ষদেবতার অধিষ্ঠান। যার জন্যই অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী বটগাছটি ! গাছটিকে কেন্দ্র করে পূজার্চনাও লেগে থাকে। বিভিন্ন কারণে তাদের মনে বৃদ্ধি পেয়েছে এই গাছের আধ্যাত্মিক মাহাত্ম্য। মানুষের কাছে ভয় এবং ভক্তির অদ্ভূত সংমিশ্রণ প্রাচীন বটগাছকে ঘিরে।
স্রষ্টা তাঁর সৃষ্টিজগতকে রহস্য দিয়ে ঘিরে রেখেছেন, সেজন্যই কিছু কিছু রহস্য ভেদ করা দুঃসাধ্য ব্যাপার মানুষের পক্ষে। তবে এর সত্যতা সম্পর্কে এখনও অনেকেই সুনিশ্চিত না। দেখা যাক ভবিষ্যতে হয়ত জানবো।
তথ্যসুত্র: ইন্টারনেট

লিখেছেন - Fatema Tanya 

ঢাকা অ্যাটাক : মুভি রিভিউ



ঢাকা অ্যাটাক

অভিনেতা: আরেফিন শুভ, মাহিয়া মাহি, শতাব্দী ওয়াদুদ, এ বি এম সুমন, নওশাবাসহ আরো অনেকে
পরিচালক: দীপংকর দীপন
ছবির ধরন : কপ থ্রিলার

বাংলা চলচ্চিত্রে কখনোই পুলিশকে, পুলিশের লাইফস্টাইলকে, পুলিশের অপারেশনগুলোকে ভেতর থেকে দেখার সুযোগ হয় নি। সেই আফসোস মিটিয়ে দেবার জন্যই ঢাকা অ্যাটাক হাজির হয়েছে বাংলাদেশের সর্বপ্রথম কপ থ্রিলার নিয়ে। বাংলাদেশ পুলিশের ভেতর-বাহির, স্যাক্রিফাইস ও থ্রিল- সবটুকুই বোঝানোর দায় নিয়েছে ঢাকা অ্যাটাক। হঠাৎ শুরু হওয়া সিরিয়াল কিলিং, প্রতি খুনে খুনির নিজের চিহ্ন রেখে যাওয়া, আতংকিত দেশবাসীদের বাচঁতে জীবনবাজি রেখে বোমা ডিসপোজ করতে ঝাঁপিয়ে পড়া পুলিশ অফিসারদের দল আর মানসিকভাবে বিকৃত এক ভিলেনের গল্প এই “ঢাকা অ্যাটাক”।

এমন থ্রিলিং গল্প নিয়ে বাংলাদেশে এর আগে মুভি হয়েছে বলে মনে হয়না। যদিও এই টাইপের মুভি হলিউডে অনেক হয়েছে। তবে ঐদিকে যাওয়া যাবে না কারণ এটা বাংলা মুভি, বাস্তবে থেকে দেখতে হবে। ঢাকা অ্যাটাকের গল্পটা সিরিয়াল কিলিং দিয়ে শুরু। লাশের গায়ে স্মাইলি ইমোটিকন আর বিভিনো লেখা গল্পকে অন্যরকম টুইস্ট দিয়েছে। হঠাৎ একটা স্কুলবাসে বোমা হামলা, এই হামলার সাথে খুনের সম্পর্কগুলো জড়িয়ে শুরু হয় পুলিশ আর ভিলিনের খেলা। তবে এই ভিলেন মিশা সওদাগর, আহমেদ শরীফের মত কুত্তার বাচ্চা, শুয়োরের বাচ্চা ডেকে চিল্লানো ভিলেন না। ভিলেন (তাসকিন রহমান) এর চোখ আর লুক দেখলে আপনার মনে হবে সে রিয়েল লাইফেই ভিলেন। গল্পে সে এমন একটা মানুষ যে পুরো দেশকে ভয়ে রাখতে পারে। সে কি একা নাকি পেছনে কেউ আছে? তার সাথে এই সিরিয়াল কিলিং এর কি সম্পর্ক জানতে হলে মুভিটি দেখতে হবে।
শতাব্দী ওয়াদুদ একজন গুণী অভিনেতা এখানেও ফাটিয়ে দিয়েছেন। আরেফিন শুভ, এবিএম সুমন আর সোয়াট টিমে কাজ করা নওশাবা, শিপন কারো অভিনয়ই খারাপ মনে হয়নি। তবে মাহিকে পরিচালক সঠিকভাবে ব্যাবহার করতে পারেননি। আইটেম সং হিসেবে প্রচলিত গান টিকাটুলির মোড়ে...... এনজয় করার মতো তবে ভাললাগার বিষয় হচ্ছে গায়ে কাপড় রেখেও যে আইটেম সং করা যায় সেটাই দেখিয়েছে ছোট পর্দার মিমো। ভিলেনকে নিয়ে কিছু বলার নাই। ভিলেন হিসেবে অষ্ট্রেলিয়া প্রবাসী তাসকিন রহমান এখানে অসাধারণ কাজ করেছেন। মুভিটিতে স্টারের অভাব নাই যেমন আলমগীর, আফজাল হোসেন, হাসান ইমাম।
এটা যে পরিচালকের প্রথম মুভি বুঝা দায়। যদিও দীপন সাহেব বলিউডে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন। ক্যামেরা, স্ক্রিনপ্লে, ভিএফএক্স এর কাজ ভাল হয়েছে। লোকেশন সুন্দর। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্র যেমন মাঝে মাঝে দেখা গেছে আরেফিন শুভর মাথায় চুল বড় আবার একই দৃশ্যেই চুল ছোট, মাহি একবার তার অফিসের বসকে ডেকেছেন ভাইয়া আবার স্যার। তবে গল্পটি গোছানো ও মেকিং সুন্দর হওয়ার কারণে এই বিষয়গুলি এড়িয়ে যাওয়া যায়।
Related image

সাম্প্রতিক বিশ্ব সিনেমার এক দুর্দান্ত আবিষ্কার ‘ডুব’



সাম্প্রতিক বিশ্ব সিনেমার এক দুর্দান্ত আবিষ্কার ‘ডুব’

চলতি বছরের বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমার নাম ‘ডুব’। মোস্তফা সরয়ার ফারুকী পরিচালিত ছবিটি নির্মাণের শুরু থেকেই ছিল আলোচনার শীর্ষে। ছবির বাজেট, কাস্টিং, গল্প এবং সেন্সর বোর্ডের বাধা সব মিলিয়ে ছবিটি প্রচারমাধ্যমে বিস্তর হাইপ তৈরি করেছে। যা মুক্তির আগে যেকোনো বাংলা সিনেমার ক্ষেত্রে বিরল।
শুধু তাই না, ছবিটি দেশের মাটিতে ২৭ অক্টোবর মুক্তি পেলেও এরইমধ্যে বিশ্বের নামিদামি ফিল্ম ফেস্টিভালগুলোতেও প্রদর্শন ও প্রতিযোগিতা করে এসেছে। সদ্য সমাপ্ত বুসান আন্তর্জাতিব ফিল্ম ফেস্টিভালেও ছবিটি প্রদর্শীত হয়েছে। বাংলাদেশে মুক্তির আগেই যেখানে বসে ছবিটি দেখেছেন দেশ বিদেশের বেশকিছু মেধাবী নির্মাতারা। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কাগজেও এসেছে ছবিটি নিয়ে অসাধারণ সব রিভিউ। কিন্তু বুসান ফিল্ম ফেস্টিভালে বসে ‘ডুব’ দেখার পর ছবিটি নিয়ে মুল্যায়ণধর্মী একটি লেখা লিখেছেন দর্শকপ্রিয় ও সমালোচকদের কাছে প্রশংসনীয় ছবি ‘জালালের গল্প’র নির্মাতা আবু শাহেদ ইমন। ফারুকীর ‘ডুব’ নিয়ে এই নির্মাতার মুল্যায়ণ চ্যানেল আই অনলাইন পাঠকদের জন্য হুবুহু তুলে ধরা হল-
১৫ অক্টোবর এশিয়ান ফিল্ম একাডেমীর কাজ শেষ করে বুসানের সেন্টাম সিটির লত্তে সিনেমা হলে দেখি ‘ডুব’ ছবির কোরিয়ান প্রিমিয়ার। প্রচণ্ড আত্মবিশ্বাসী ক্যামেরা আর ধীর নির্দেশনায় ফারুকি ভাইয়ের এই কাজটি আগের সবগুলো কাজ ছাড়িয়ে গেছে। অবাক চোখে নিয়ে দেখি ফারুকি ভাইয়ের নতুন ঢঙের গল্প বলা। ধীর, স্থির, শান্ত গল্পের পরতে পরতে ছিল সুপ্ত এক আগ্নেয়গিরি।
অগ্নুৎপাত না ঝড়িয়ে গল্পের ভাজে ভাজে দেখিয়েছেন চরিত্রগুলোর অসহায়ত্ব। ভিলেনহীন ছবিটিতে দর্শকের মননে লুকিয়ে থাকা নৈতিক-অনৈতিক বোধগুলোই যেন এক একজন ভিলেন হয়ে সামনে আসে। নিজ ভাষায় নির্মিত বলেই চোখে জল আসছিল কিনা বোঝার জন্য সন্তর্পণে চোখ মুছতে মুছতে আসে পাশে খেয়াল করি! কোরিয়ান সহ বিদেশী আর দর্শকের একি সাথে চোখ মোছা দেখে বুঝতে পারি… স্থান-কাল-পাত্রের সীমারেখা ভেদ করে ‘ডুব’ হয়ে উঠেছে মানবিক ও সার্বজনীন।
আমাদের সিনেমা যখন তর্জন-গর্জন-চিৎকারে নিজেদের মত করে গল্পের অলগলি খুঁজে বেড়াচ্ছে ‘ডুব’ তখন সন্তর্পনে এগিয়ে যায় নির্দেশকের স্থির দেখার চোখ দিয়ে। শান্ত ছিল খুব চরিত্রগুলো! এরা চিৎকার করে দুঃখের বয়ান কেউ দেয়নি। শক্তিমান অভিনেতার বাংলাদেশি সংজ্ঞার মত অনেক বলিষ্ট কণ্ঠে অভিনয় দেখিয়ে দিতে চায়নি। চরিত্রগুলো চরিত্র হয়ে উঠতে উঠতেই তাই মনের মধ্যে দাগ কেটে যায়।
ছবি শেষ হরার পর ফারুকি ভাইয়ের আগের সব কাজ ছাড়িয়ে নতুনভাবে এই ডুবকে আবিষ্কারে তাই আমি ক্রিটিক বা নির্মাতা না বরং একজন দর্শক হিসেবে ‘ডুব’ সিনেমার মাহাত্ম বুঝতে পারি। আমার কাছে বাংলাদেশের গণ্ডি পেরিয়ে ‘ডুব’ সাম্প্রতিক বিশ্ব সিনেমার এক দুর্দান্ত আবিষ্কার। নিজের গল্প বলাতে এত সাবলীলতা আর ‘ডুব’-কে কেন্দ্র করে গত কয়েক মাসে চলমান ঘটনাপ্রবাহ তাই বাস্তব আর সিনেমাকে যেন একি সুতোয় গাঁথে। দর্শক হিসেবে ডুবের গল্প যেন শুরু হয় ছবিটির শেষ দৃশ্যে!মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ভাইকে অভিবাদন নিজের নির্মানে এই সাহসিক যাত্রার জন্য। দলে বলে হলে যাবার সময় এখন।

আবির যখন পুলিশ


আবির যখন পুলিশ

সবে এস,এস,সি পাশ করেছে আবির। অসচ্ছল পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধা বাবা আর পারবেন না আবিরের লেখা-পড়ার খরচ যোগাতে। আর খরচ করেছেই বা কবে! মা অপরের বাড়িতে ঢেঁকিতে ধান ভেঙ্গে বা ময়লা কাপড় কেঁচে পরিস্কার করে যা রোজগার করেছে তার সিংহভাগই খরচ হয়েছে আবিরের লেখা-পড়ায়। এখন বয়স বেড়েছে আবিরের মায়ের কিন্তু কমেছে কোমরের জোর। ঢেঁকিতে ধান ভাঙ্গা বা কাপড় কাঁচা আর সম্ভব নয়। তাই সাফ জানিয়ে দিয়েছে আবিরের মা, তিনি আর পারবেন না আবিরের খরচ জোগাতে।
আবিরের চোখে নেমে আসে ঘন কালো অন্ধকার। তার সহপাঠিরা যখন কলেজে ভর্তি হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে, আবির তখন তার সংসারের করুন দশা ভেবে ভেবে আড়ালে চোখের জল ফেলছে। সামান্য এসএসসি পাশ করে সে কি করে সংসারের হাল ধরবে সেটা ভেবেই ব্যাকুল হয়ে পড়ে। বাজারে গিয়ে শুনতে পায় পুলিশের চাকুরীর সার্কুলার দিয়েছে। যোগ্যতা এসএসসি পাশ হলেই কনস্টেবল পদে ভর্তির জন্য আবেদন করা যাবে। অনেক খুঁজে একটি সার্কুলার কপি সংগ্রহ করে সে। যোগ্যতা অনুযায়ী বয়স এখনও পূর্ণ হয়নি তবে কয়েকদিনের মধ্যেই বয়স হয়ে যাবে। হিসাব করে দেখে যখন ভর্তি হবে তখন তার বয়স যোগ্যতা অনুযায়ী পূর্ণ হয়ে মাত্র দুই দিন বেশী হবে। এই দুই দিনে বেশী না হয়ে কম হলে সে আবেদন করতে পারতো না।
সার্কুলার অনুযায়ী আবির সকল কাগজ-পত্র সংগ্রহ করে। কিন্তু ব্যাংক ড্রাফটের ১০০ টাকা তার কাছে নেই। রাতে মাকে জানায় তার ইচ্ছার কথা। মা প্রথমে বিশ্বাস করেনা যে কোন তদবির বা মাধ্যম ছাড়া পুলিশের চাকুরী হতে পারে। পরে আবির অনেক বুঝিয়ে বললে আল্লাহর উপর ভরসা করে তার মা অনুমতি দেয় এবং ব্যাংক ড্রাফটের ১০০ টাকা দিতে রাজী হয়। নির্ধারিত দিন সকালে আবির পুলিশ লাইনে গিয়ে হাজির হয় এবং প্রাথমিকভাবে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কোঠায় শারীরিক মাপে উত্তীর্ণ হয়।
লিখিত পরীক্ষায় সকল প্রার্থীদের মধ্যে সে দ্বিতীয় স্থান লাভ করে। এরপর মৌখিক পরীক্ষায় সে পরীক্ষা বোর্ডের নিকট তার বাবার মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের কথা এবং পারিবারিক দৈন্যতার কথা তুলে ধরে। পরীক্ষা বোর্ডের সদস্যরা তার প্রতি সন্তুষ্ট হন এবং নিয়োগের জন্য মেডিকেল পরীক্ষার অনুমোদন দেন। এরপর মেডিকেল পরীক্ষায় কিছু টেস্ট করতে টাকা লাগলে সে তার নিকট টাকা নেই বললে পুলিশ লাইনের কয়েকজন পুলিশ সদস্য তাকে টাকা দিয়ে সাহায্য করেন। পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হলে ডাক পড়ে আবিরের পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে। ৬ মাস অনেক কষ্টে প্রশিক্ষণ সমাপ্ত করে যোগ দেয় নতুন কর্মস্থলে।
আজ চাকুরীর প্রথম বেতন হতে পেয়ে আবির খুব কেঁদেছে। এই টাকার জন্য তার মা কত কষ্ট করেছে! বাবা মুক্তিযুদ্ধে সম্মূখ যুদ্ধে আহত হয়েও দেশের জন্য যুদ্ধ করেছেন। দিনের পর দিন একবেলা খেয়ে বাকি দুইবেলা না খেয়ে উপোস রয়েছে। দৌড়ে পুলিশ লাইন ক্যান্টিনে গিয়ে মোবাইল ফোন দিয়ে পাশের বাড়ির চাচীর মোবাইলে ফোন দিয়ে মায়ের সাথে কথা বলে। “মা তোমাকে আর কষ্ট করতে হবেনা, এখন থেকে আমি প্রতি মাসে তোমাদের খরচের টাকা পাঠিয়ে দিবো”। মা শুনে খুশি হয়ে আশির্বাদ করে “বাবা আমাদের কথা ভাবিস না, তোমার শরীরের প্রতি আগে লক্ষ রাখো”। আবিরের দু’চোখ দিয়ে আনন্দাশ্রু বের হয়ে গড়িয়ে পড়ে। অন্য এক অনন্য অনুভুতির মা ছেলের কথোপকথন লিখে প্রকাশ করা যাবে না। এ কান্না আনন্দের, এ কান্না সুখের, এ কান্না আশাহত জীবনে সুখ স্বপ্ন দেখার।

Hafizur Rahman
Source:  BP HELPLINE

যশোর ব-১১-০১৯

—আসসালামু আলাইকুম ভাইজান।
—ওয়ালাইকুম সালাম!
—ভাইজান, ভালো আছেন?
—জি, আছি। আপনাকে তো ভাই ঠিক চিনলাম না!
—আমি বদর আলী।
—উমমম...বদর আলী...বদর আলী...নাহ্ চিনতে পারছি না।
—আপনে আমারে চিনেন। কয়দিন থেইকা সারা বাংলাদেশ আমারে চিনে।
—বেশ কয়দিন আগে কী হয়েছিল?
—মনে করার চিষ্টা করেন ভাইজান। আপনে মনে করতি না পারলি কিরাম হবেনে ব্যাপারটা...
—আরে এত নাটক না করে বলেন না আপনি কে...
—আমি বদর আলী।
—মশকরা করো মিয়া আমার সাথে তুমি? জানো আমি কে? নাম বললে লুঙ্গি উঁচায়া দৌড় দিবা।
—আমি তো জানিই আপনে কেডা।
—বল ব্যাটা আমি কে...নাইলে তোরে এইখানেই জ্যান্ত পুইত্তা ফালাব...আমার সাথে মশকরা...সাহস বাইড়া গেছে শালাগো...
বদর আলী নির্বিকার
—চেইতেন না ভাইজান। আপনের আগেও দুইবার হারটঅ্যাটাক হইয়েছে। শুনিছি তিনবার হলি মানুষ মইরে যায়।
থতমত খেয়ে যায় সোলায়মান আহমেদ (উচ্চতা র্৫ র্৮র্ -র্৫ ১র্০র্ বয়স ৪৫-৫০, বড় রাজনীতিবিদের ডান হাত)। কারণ, তার প্রথম হার্টঅ্যাটাকের কথা সবাই জানলেও দ্বিতীয়টির কথা দ্বিতীয় পক্ষের বউ ছাড়া কেউ জানে না। সামনে বসা বদর আলীকে খুব সূক্ষ্মভাবে পর্যবেক্ষণ করে সোলায়মান। বয়স ৫০-এর কাছাকাছি। মাঝারি উচ্চতার। দেখে শিক্ষিত মনে হয় না। খেটে খাওয়া মানুষের মতো হাত-পা। চোখের দিকে তাকিয়ে ভয় পেয়ে যায় সোলায়মান। কী ভয়ংকর শীতল দৃষ্টি! দেখলেই জান হিম হয়ে যায়।
সোলায়মান খুব শান্তভাবেই জিজ্ঞেস করে
—কে তুমি?
—আমি বদর আলী ভাইজান।
—আমার পার্টিতে বদর আলী নামে কেউ নেই। আর আমি এই নামে কাউকে চিনিও না।
—আমার ইস্তিরির নাম হাওয়া বেগম। আমারে অনেক ভালোবাইসত। দুইডে ছাওয়াল মাইয়ে আমার। মাইয়েডা কিলাস টেইনে পড়ে। ছাওয়ালডা কিছু করে না। বইখে গিছে...
—বদর আলী, আমি বুঝতে পারছি না। তুমি কেন আমাকে এসব বলছ...
—একটা বইনও আছে আমার। বিয়ি দিতি হতো। কিন্তু....কিরাম কইরে যে কী হবিনি...
—বদর আলী...
—জি, ভাইজান।
—কে তুমি?
—আমি বদর আলী।
—বল্ কে তুই, বল্ কে তুই...নিশ্চিত আমার শত্রুপক্ষ থেকে আমার ইনফরমেশন নিতে পাঠিয়েছে। তুই আজকে এখান থেকে জ্যান্ত ফিরে যেতে পারবি না...সোলায়মান খুব শক্ত জিনিস...
সোলায়মান দ্রুত তুমি থেকে ‘তুই’-এ নেমে আসে।
—আপনে চিক্কুর দিয়েন না ভাইজান...হারটে চাপ পড়বে...আপনের আগেও দুইবার হারটঅ্যাটাক হইয়েছে...তিনবার হলি মানুষ মইরে যায়...।
—চোপ শালা...একদম চোপ...আর একটা কথা বললে ভুঁড়ি ফাটায় দিব...
—ভাইজান, আমি ঠিকমতো খাতিই পাইনে, ভুঁড়ি আসবে কোনতে।
—গার্ডগুলো সব মরছে কোথায়...সবগুলোর ভুঁড়ি ফাটায় দিব আজকে...হারামখোরের দল...
—ওরা কেউ আসবিনে। ঘুম পাড়ায় এয়েছি...।
এইবার ঘাবড়ে যায় সোলায়মান। তার ধারণা, শত্রুপক্ষের কেউ বদর আলীকে পাঠিয়েছে তাকে মেরে ফেলার জন্য।
—আ...আ...আসবে না মানে!!! কী...কী...কী করেছেন ওদের...
—ভাইজান আমাকে কি আপনে চিনতে পারিছেন?
ভয়ার্ত সোলায়মান উত্তর দেয়—‘না...না...না...’
—আমি বদর আলী, বাস চালাইতাম। ঢাকা টু খুলনা।
ঈগল পরিবহন। যশোর ব-১১-০১৯। মনে পড়িছে?
—তু...তু...তুমি কে?
—ভাইজান, আপনে ভয় পায়েন না। আপনের আগেও দুইবার হারটঅ্যাটাক হয়িছে। না চিনতি পারলি কয়ে দিচ্চি। যেই বাসটাতে আপনের হুকুমে আগুন দেওয়া হয়েছিল, আমি সেই বাসের ডিরাইভার। চিষ্টা করিছিলাম, বাইরাতি পারিনি...পুইড়ে মরিছি...তাতি অবশ্য দুক্কু হয় না। শুধু কষ্ট লাগে ইস্তিরি আর ছাওয়াল-মাইয়ে দুডোর জন্যি। বইনডারও বিয়ি দিতি হতো...কিরাম কইরে যে কী হবিনি...
ভাইজান কি ভয় পেয়েছেন? ভয় পায়েন না...আপনের আগেও দুইবার হারটঅ্যাটাক হইয়েছে। শুনিছি, তিনবার হলি মানুষ মইরে যায়...
কিন্তু ততক্ষণে তৃতীয় হার্ট অ্যাটাকটা হয়ে গেছে সোলায়মানের।
বদর আলী বুঝতে পারে না সে প্রতিশোধ নিল কি না। বহুদিন পর মুক্তির অনুভূতি নিয়ে সে উড়তে থাকে আকাশের দিকে।
ওপরে...আরও ওপরে...

 আফিয়া আবিদা
ইডেন মহিলা কলেজ, ঢাকা।

source  - Prothom alo

যশোর ব-১১-০১৯

বিখ্যাত ব্যক্তিদের মজার কিছু উক্তি

বিখ্যাত ব্যক্তিদের মজার কিছু উক্তি


মহান ব্যক্তিরা পৃথিবীর জন্য অনেক মহৎ কাজ যেমন করেছেন তেমনি কিছু মহান উক্তিও দিয়ে গেছেন। তবে আজ থাকছে বিখ্যাত ব্যক্তিদের মজার কিছু উক্তি -

# একটা সূত্র থেকে কোনো কিছু কপি করলে সেটা হয় নকল, আর একাধিক সূত্র থেকে কপি করলে হয় গবেষণা। - ডেরিল ওং (বক্তা ও পেশাবিষয়ক প্রশিক্ষক)

# ভালোভাবে বোঝাতে না পারলে বুঝতে হবে, বিষয়টি ভালোভাবে বোঝেননি আপনি। -আলবার্ট আইনস্টাইন (জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী)
# পরীক্ষায় কয়েকটি বিষয়ে ফেল করেছিলাম আমি। আমার বন্ধু পাস করেছিল সব বিষয়েই। এখন সে মাইক্রোসফটের ইঞ্জিনিয়ার, আর আমি মালিক।-বিল গেটস (ব্যবসায়ী ও মাইক্রোসফটের কর্ণধার)
# সত্যি সত্যিই কিছু করতে চাইলে একটা রাস্তা খুঁজে পাবেন আপনি, আর না চাইলে পাবেন অজুহাত।-জিম রন (মার্কিন উদ্যোক্তা)
# কমিটি হলো কয়েকজন লোকের দল, যারা একা একা কোনো কিছুই করতে পারে না। তবে একসঙ্গে এমন সিদ্ধান্ত নেয়, যাতে আসলে কোনো কিছুই হয় না।-ফ্রেড অ্যালেন (মার্কিন কমেডিয়ান)
# একা একা মরতে ভয় পান? বাসচালক হোন।-অ্যাবস্টিন ন্যাস্কে (নোবেলজীয় যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ)
# মজার ব্যাপার হলো, একটা মানুষের যখন ভয় পাওয়ার মতো কিছুই থাকে না, তখন তিনি বিয়ে করে ফেলেন।-রবার্ট ফ্রস্ট (মার্কিন কবি)
# বাচ্চাদের টাকা-পয়সার মূল্য বোঝানোর সহজ উপায় হলো তাদের কাছ থেকে কিছু ধার করা। -অজ্ঞাত
# টিভি ও ইন্টারনেট খুবই ভালো জিনিস। কারণ, এই দুটি জিনিস নির্বোধ লোকদের ব্যস্ত রাখে, ফলে তারা আর দশজনকে বিরক্ত করে না সে সময়টুকুতে।-ডগলাস কুপল্যান্ড (কানাডীয় ঔপন্যাসিক)
# একটি ভালো উপন্যাসে একজন নায়কের সত্য ঘটনা লেখা থাকে। আর বাজে উপন্যাসে লেখা থাকে ঔপন্যাসিকের সত্য ঘটনা।-জি কে চেস্টারটন (ব্রিটিশ লেখক)
# পাগলামি রোগটি বংশানুক্রমিক। রোগটি আপনার সন্তানদের মাধ্যমে আপনার মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে পারে।-স্যাম লেভিনসন (মার্কিন অভিনেতা)
# কঠোর পরিশ্রম করেন সুপরিচিত হওয়ার জন্য, এবং তারপর কালো রোদচশমা পরে ঘোরাফেরা করেন, যাতে করে কেউ তাঁকে চিনতে না পারে।-ফ্রেড এ অ্যালেন (মার্কিন কৌতুক অভিনেতা)
# বিছানায় পড়ে থাকবেন না, যদি না আপনি বিছানায় শুয়ে টাকা কামানোর উপায় জানেন।-জরজ বার্নস (মার্কিন কৌতুক অভিনেতা)


Find me - 
twitter - Fundamental Sharif
Yourtube Fundamental Sharif

Start Work With Me

Contact Us
Dhaka, Bangladesh
Md Shahidul Islam Sharif
+8801677-118081, +8801707073323