I KNOW I AM WHO AND WHAT

I AM

image
Hello,

I'm Mohammad Shahidul Islam Sharif

I am known as “Fundamental Sharif” in the virtual area. The word ‘Fundamental’ before my name is just only a word to most of the people but this simple word means a lot to me. This word is like a driving power, a fuel to me and to my life. This ‘fuel’ has changed my life, its path and its meaning. At first there was no specific reason behind obtaining this name. The “Mental” prefix after the word “Fundamental” gave me a lot of fun and encourage me in choosing the name… :p I am the second child of my parents. My elder sister is studying in Dhaka University. My father is an immigrant and my mother is a housewife. Now I am living in Dhaka. I was born on 14th December, 1992 at a small town of Comilla. But my parents gradually moved out at Dhaka when I was 2. My academic life started from the kindergarten right beside my house. Afterwards, my primary school life spent on “Kadamtala Purbo Bashaboo Secondary High School” which is now known as “KPB Secondary High School”. My higher secondary life was spent in Dhaka College, one of the famous college in Dhaka. At present I am having my high school carrier in Dhaka City College at Department of Business Administration.

At present I am working with SEO in website like Upwork, Guru and Fiverr. Beside that I am making Bengali tutorials relating SEO in YouTube. I am also making funny interesting videos for my YouTube channel. The main purpose of making video is to have fun after seeing them after 8/10 years. Again I am writing a few books and also trying to establish a business of my own. I like to be honest in each and every stage of my life. I truly believe that • Each and every person have some fundamental characteristics prevailing in them. • I know who I am and how I am. • Honesty is the only way through which one can achieve his success


Education
Dhaka City Collage

Under National University

Bachelor of business administration

Major- Finance

Dhaka College

science

Year - 2012

Kadomtola Purbo Bashaboo Highe School and Collage

science

Year - 2010


Experience
Brand Promoter

Crown Cement

Year - 2018

SEO Counsaltent

China EduCare

Year - 2017


My Skills
SEO
Social Networking
Branding
Marketing
Youtube Video and Marketing

3

Awards Won

1664

Happy Customers

2964

Projects Done

1564

Photos Made

WHAT CAN I DO

Web Design

Fusce quis volutpat porta, ut tincidunt eros est nec diam erat quis volutpat porta

Responsive Design

Fusce quis volutpat porta, ut tincidunt eros est nec diam erat quis volutpat porta

Graphic Design

Fusce quis volutpat porta, ut tincidunt eros est nec diam erat quis volutpat porta

Clean Code

Fusce quis volutpat porta, ut tincidunt eros est nec diam erat quis volutpat porta

Photographic

Fusce quis volutpat porta, ut tincidunt eros est nec diam erat quis volutpat porta

Unlimited Support

Fusce quis volutpat porta, ut tincidunt eros est nec diam erat quis volutpat porta

SOME OF WORK
Showing posts with label blog. Show all posts
Showing posts with label blog. Show all posts

Paradox – প্যারাডক্স : একটি জটিল বিষয়

Paradox – প্যারাডক্স : একটি জটিল বিষয়


পশ্চিমা দর্শনের জনক সক্রেটিসের একটি বিখ্যাত উক্তি আছে। তিনি বলেছিলেন, আমি একটি জিনিসই জানি। তা হলো, আমি কিছুই জানি না। আপনি যত কাছে থেকে দেখার চেষ্টার করবেন, ততই নতুন কিছু বিষয় উঠে আসবে। এগুলো প্যারাডক্স , আপাতবিরোধী হলেও সত্য। এখানে জেনে নিন এমনই ৭টি প্যারাডক্স যা আপনার মস্তিষ্ক এলোমেলো করে দেবে।


১. এটাকে BARBER PARADOX (RUSSELL'S PARADOX) বলা হয়। আমেরিকান গণিতবিদ Bertrand Russell এটা তৈরি করেছেন। একটা গ্রামে একজন নাপিত বাস করে। ক. সে তাদের দাঁড়ি কামায় যারা নিজেদের দাঁড়ি নিজেরা কামায় না। খ. যারা নিজেরা নিজেদের দাঁড়ি কামায় তাদের দাঁড়ি সেই নাপিত কামিয়ে দেয় না।

এখন প্রশ হলো নাপিতের দাঁড়ি কে কামায়? সে নিজে না অন্যকেউ? অন্যকেউ কামালে ক নং বাক্যের সাথে আর নিজে কামালে খ নং বাক্যের সাথে সংঘর্ষ হয়। একটু মন দিয়ে ভাবলেই বুঝতে পারবেন।
২. একটা কাগজে পরপর দুইটি লাইন আছে এরকম: "পরের লাইনটি মিথ্যা। প্রথম লাইনটি সত্যি নয়।" এটাকে বলা হয় ডাবল লায়ার প্যারাডক্স। এতোক্ষণে হয়তো বুঝে গেছেন সক্রেটিসের প্যারাডক্সটি একটি ডাবল লায়ার প্যারাডক্স।
৩. এবার পিচ্ছি একটা প্যারাডক্সের উদাহরণ দিই। এটা লায়ার প্যারাডক্স।

ধরুন, আমি আপনাকে বললাম, "I am a liar." এখন আপনি কি আমার কথাটা বিশ্বাস করবেন নাকি করবেন না?
৪. রহমান সাহেবের ছেলে কিডন্যাপড হয়েছে। উনি চিন্তিত হয়ে বসে আছেন। এমন সময় টেলিফোন বেজে উঠলো।
: রহমান সাহেব?

: বলছি। আপনি কে?
: আপনার ছেলে আমাদের কাছে।
: প্লিজ, তাকে ছেড়ে দিন। যা চান তা দিব।
: আপনার ছেলেকে ছেড়ে দিবো যদি আপনি সঠিকভাবে বলতে পারেন আপনার ছেলেকে আমরা ছেড়ে দিবো নাকি দিবো না।

রহমান সাহেব বললেন," আপনারা আমার ছেলেকে ছেড়ে দিবেন না।" এখন কথা হলো তারা তাঁর ছেলেকে ছেড়ে দিবে নাকি দিবে না? প্যারাডক্সটা বুঝতে হলে একটু মাথা ঘামাতে হবে।
রহমান সাহেব বলেছেন ছেড়ে দিবে না।
কিন্তু কিডন্যাপার বলেছে সঠিকভাবে বলতে পারলে ছেলেকে ছেড়ে দিবে। কিন্তু ছেড়ে দিলে আবার রহমান সাহেবের কথাটা সঠিক থাকে না। আর ছেড়ে না দিলে রহমান সাহেবের কথা সঠিক হয়। এক্ষেত্রে কিডন্যাপার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সঠিক হলে ছেড়ে দিবে। কিন্তু ছেড়ে দিলে আবার সঠিক না হওয়ার প্রসঙ্গ চলে আসে।
Paradox – প্যারাডক্স : একটি জটিল বিষয়

৫. মনে করুন, আমি একটা কাগজে ইংরেজি হরফে লিখে দিলাম:"I can not write in English."

৬. "সবনিয়মের ব্যতিক্রম আছে"

বাক্যটিও একটা প্যারাডক্স। নিয়ম করে ব্যতিক্রম হওয়াটাও একটা নিয়ম।
৭. এই উদাহরণটি দুই নং এ বলা ডাবল লায়ার প্যারাডক্স।

"তুমি যা জানো আমি তার সবটা জানি। এবং আমি যা জানি না তা তুমি জানো।"
এটা আমার বানানো। লেখাটা পড়ে আপনিও এধরণের ছোটখাট প্যারাডক্স বানাতে পারবেন।
উপরের উদাহরণগুলো থেকে আশাকরি বুঝতে পারছেন যে প্যারাডক্স হলো এমন এক বা একাধিক বাক্য বা ঘটনা যা পরস্পরের কন্ট্রাডিকশনারি। একই পরিস্থিতিতে দুটো ঘটনা সম্ভব নয়। আবার বলা যায় আমরা প্রতিনিয়তই প্যারাডক্স এর সম্মুখীন হই , যেমন ধরুন আপনি রাতের বেলা চাঁদ দেখছেন কিন্তু আপনার আমেরিকান বন্ধু সেই মুহূর্তে চাঁদ দেখছে না , দেখছে সূর্য । এক পৃথিবীতে থেকে দুইজন দুই জিনিস দেখছেন । তার মানে একই সময় দুইটি ঘটনা ঘটে থাকে ।
এই বিষয়ে আরো স্পষ্ট হওয়া যায় আইনস্টাইনের সময়ের ব্যাখ্যা শুনে , যেমন একটা বজ্রপাতের শব্দ স্থির ব্যাক্তি যে সময়ে শুনবে সেই একই শব্দ চলন্ত ব্যাক্তি একটু পরে বা আগে শুনবে তার মানে একই সময় দুই ঘটনা ।
Find me - 
twitter - Fundamental Sharif
Yourtube - Fundamental Sharif

ক্যারিয়ার ধ্বংসে যেসব অভ্যাস দায়ী

ক্যারিয়ার-ধ্বংসে-যেসব-অভ্যাস-দায়ী

কিছু অভ্যাস আমাদের জীবনে আনন্দ নিয়ে আসে, আমাদের জীবনকে সাফল্যের উচ্চ শিখরে নিয়ে যায়। আবার অন্যদিকে এমন কিছু অভ্যাস রয়েছে যা প্রতিনিয়ত আমাদের পিছিয়ে দিচ্ছে। আমাদের ক্যারিয়ারের গুরুত্বপুর্ন সময় নষ্ট করে নিজেকে ব্যর্থ ব্যক্তিতে পরিণত করছি। অথচ, আমরা তা খেয়াল করছি না। এমন কিছু অভ্যাস সম্পর্কে আলোচনা করবো যা আমাদের জীবনকে নিরবে অভিশাপে পরিণত করছে। আমাদের ক্যারিয়ারকে ধবংস করে দিচ্ছে।


১. অতিরিক্ত সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহারঃ

এটি বর্তমানে অন্যতম বড় একটি সমস্যা। এটি এমন একটি অভ্যাস যা আপনার গুরুত্বপূর্ন সময়কে হত্যা করে আপনাকে সবার থেকে পিছনে ফেলে দিবে, তা জানতেও পারবেন না। আপনি একজন ছাত্র বা যেকোন পেশায় হোন না কেন এই সোশ্যাল মিডিয়া সবার জীবনেই খারাপভাবে প্রভাবিত করে। মুহুর্তেই কয়েক ঘন্টা সময় নষ্ট করে দেয় সোশ্যাল মিডিয়াগুলো। ছাত্র-ছাত্রী পড়ালেখা করার সময় মাঝে মাঝে, চাকুরীজীবি কাজের ফাঁকে ফাঁকে একটু ফেসবুক, টুইটার ইত্যাদি সোশ্যাল মিডিয়াগুলো ভিজিট করে। যার ফলে মনোযোগ নষ্ট হয় এবং প্রোডাক্টিভিটি নষ্ট হয়। আর যদি ইউটিউব এ ধুকে যান তখন কিভাবে সময় চলে যায় তা আসলে কেউই বুঝে না, এই ভিডিও থেকে সেই ভিডিও (Suggested Video আমাদের অনেক প্রভাবিত করে) তাই সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করার নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করুন, কাজের মাঝে সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার করবেন না।


২. রেজাল্ট ট্র্যাক না করাঃ

রেজাল্ট ট্র্যাক না করা একটি খারাপ অভ্যাস তা আমরা জানি না। শুধু মাত্র এই অভ্যাসের জন্য আপনার জীবনে কতটুকু অগ্রগতি হচ্ছে সেটাও আপনি জানেন না। আপনি অন্ধকারে হাঁটছেন। আমরা কোন একটি কাজ শুরু করলে সেই কাজ নির্দিষ্ট সময় পরে কতটুকু হল, কতটুকু হওয়া প্রয়োজন ছিল, আমার প্রচেষ্টা কি ঠিক মত আছে কিনা? আর কি করা যেতে পারে ইত্যাদি জানার প্রয়োজন মনে করি না। যার কারণে সময় শেষ হয়ে গেলেও কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন হয় না। সফলতা পেতে একজন প্রফেশনালকে তার কার্যক্রমের রেজালট ট্রেক করা উচিত। এই স্বভাবটি ছোট বেলা থেকে শুরু করতে পারলে অনেক ভালো, যেমন-আপনি পরীক্ষা দিয়ে আসার পর যদি দেখেন কি কি ভুল করলেন আর কি ভুল করলেন না সেখান থেকেই বুজতে পারেন যে আগামীকালের পরীক্ষা এর জন্য কতটুকু প্রচেষ্টা করা উচিত আপনার কিন্তু আমরা তা দেখি না তাই পরের দিনের কার্যক্রম খুব স্বাভাবিক থাকে বা আরো ভালো এর তেমন প্রচেষ্টা থাকে না।


৩. অতিরিক্ত চিন্তা করাঃ

অতিরিক্ত চিন্তা, যা আমাদের মধ্যে প্রায়ই দেখা যায়। অনেকে খুব ছোট কোন কাজ করতে গিয়ে কাজ শুরু করার পূর্বেই চিন্তা করা শুরু করে কি করছি? কেন করছি? করে কি হবে? এটা করলে কি কি সমস্যা তৈরি হবে? ইত্যাদি। অনেকে বলতে পারেন কাজ শুরু করার পূর্বে এই ধরনের চিন্তা ভাবনা করে শুরু করলেতো ভালো।হ্যা ভালো কিন্তু আপনি যদি শুধু চিন্তাই করে যান কোন কাজ না করেন বা চিন্তায় ভয় পেয়ে কাজ আর শুরুই না করেন তখন ক্যারিয়ার সামনে আগাবে না। আবার অনেক চিন্তা আছে যা করার দরকার হয় না বা যা ঘটে গিয়েছে তা নিয়ে ভেবে কোন লাভ নেই কিন্তু আমরা সেতাই ভাবতে থাকি এবং এর জন্য সামনের ঘটনা এর মধ্যে আরো সমস্যা সৃষ্টি হয়। ছোট করে উদাহরণ দেই, ধরুন আপনার একটি পরীক্ষা খারাপ হয়েছে, সেটা ভেবেই আপনি আর কিছু চিন্তা করতে পারছেন না এবং এর কারণে আপনার পরবর্তী পরীক্ষাটাও খারাপ হবে কারণ দুশ্চিন্তা এর কারণে আপনি পরবর্তী পরীক্ষা এর জন্য নিজেকে তৈরি করতে পারছেন না।


৪. পর্যাপ্ত পরিমান না ঘুমানোঃ

সোশ্যাল মিডিয়া, মুভি, খেলা ইত্যাদির জন্য অনেকে ঘুমানোর সময়ই পায় না। আবার অনেকে কাজের ব্যস্ততায় ঘুমানোর সময় পায় না। যেমনঃ ফ্রীলেন্সাররা অনেকে ঘুমানোর চেয়ে কাজ করতে বেশি ভালোবাসে কিন্তু আপনার উচিত পর্যাপ্ত পরিমান ঘুমানো। কারণ পর্যাপ্ত পরিমান না ঘুমালে আপনার ক্লান্ত লাগবে, এনার্জি হারাবেন, প্রডাক্টিভিটি কমে যাবে। আর যদি অসুস্থ হয়ে যান তাহলে তো কয়েক দিনের জন্য কাজ সম্পূর্ন বন্ধই করে দিতে হয়। এছাড়া দীর্ঘদিন পর্যাপ্ত পরিমান ঘুমের অভাবে শরীরে বড় ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হয় যা প্রফেশনাল জীবনে বড় বাঁধা হয়ে দাড়ায়। আর সবচেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে কম ঘুমের কারণে আপনার চিন্তা শক্তি কমতে থাকে, যা আপনি বুজতেই পারবেন না। একজন প্রাপ্ত বয়স্ক (২৬-৬৪) বছর বয়সীকে ৭-৯ ঘণ্টা প্রতিদিন ঘুমানো উচিত। (৭-৯ ঘণ্টা ভেঙ্গে ভেঙ্গে নয়, একটানা)

৫. নেতিবাচক চিন্তাভাবনা করাঃ
খুব সাধারন সমস্যা। কোন কাজ করার আগেই করা যাবে না এই ধরণের চিন্তা ভাবনা করা। কিন্তু আপনি বুঝতেই পারবেন না এটি যে আপনার একটি বড় সমস্যা। কারণ আপনার কাছে মনে হবে আমি পারবোনা দেখেইতো কাজটি করা বন্ধ করে দিয়েছি। শুধুমাত্র এই একটি অভ্যাসের জন্য আপনার জীবন থেকে অনেক বড় বড় সুযোগ হারিয়ে যেতে পারে। আপনি নিজেকে অনেক বড় স্থানে নিয়ে যাওয়া থেকে বঞ্চিত করবেন। তাই নেতিবাচক চিন্তাভাবনা করা থেকে নিজেকে বিরত রাখুন এবং সুযোগগুলো কাজে লাগান। মনে রাখবেন কাজ না করার চেয়ে কাজ করে ব্যর্থ হয়ার মধ্যে অনেক লাভ।অভিজ্ঞতা হয়, জানা হয়, শেখা হয়। আর যেখানে পুরো জীবনটাই একটা ঝুঁকি সেখানে আর ঝুঁকি নিতে ভয় কিসের।


৬. নিখুঁতভাবে কাজ না করার অভ্যাসঃ

এটি এমন একটি খারাপ অভ্যাস যা অলসতার কারণে হয়। এটি আপনাকে সবার থেকে পিছিয়ে রাখবে এবং আপনার কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়। যেমনঃ অনেক ছাত্র পড়ালেখা করার সময় শুধু  পরীক্ষায় উত্তর দেওয়ার জন্য পড়ে কিন্তু নিখুঁতভাবে কোন প্রশ্নের উত্তর বুঝে পড়ে না। যার কারণে পরীক্ষায় পরিপূর্নভাবে ফলাফল পায় না। আবার অনেক কর্মজীবিরা তার ঊর্ধ্বতন এর দেয়া কাজ সম্পন্ন করে কিন্তু নিখুঁতভাবে করে না। যার ফলে তাকে সে কাজ পুনরায় করতে হয়। তাই আপনার এই ধরনের অভ্যাস যদি থাকে তা দূর করে ফেলুন। প্রতিটি কাজ সুন্দরভাবে নির্ভুলভাবে করুন সকল ক্ষেত্রে সফলতা পাবেন।


৭. সময় সচেতন নাঃ

এই সমস্যা খুজলে সাবার মাঝেই পাবেন। বিশেষ করে আমাদের দেশের মানুষের রক্তের সাথে মিশে গিয়েছে এই অভ্যাসটি। আমরা মোটেও সময় সচেতন নই। কোন কাজই সময়মত করতে পছন্দ করি না। যার ফলে আমাদের ক্যারিয়ারও সময়মত আগায় না। যার কারনে আমাদের ৪ বছরের গ্রেজুয়েশন করতে ৬ বছর লেগে যায়। ১০ মিনিটের কাজ জমা দিতে ১ ঘন্টা লেগে যায়।সময়কে গুরুত্বদিন সময়মত আপনিও গুরুত্বপূর্ন হয়ে উঠবেন।


৮. নিজের মার্কেটিং না করাঃ

এই খারাপ অভ্যাসটি বিশেষ করে ফ্রীলেন্সারদের থাকা উচিত না। কিন্তু তাদের মাঝেই অনেক দেখা যায়। তারা মনে করে একটি মার্কেটপ্লেসে একাউন্ট খুললাম আর কিছু বিড করলাম তারপর কাজ শেষ ডলার ইঙ্কাম শুরু হয়ে যাবে। না আপনাকে কেউ এসে কাজ দিয়ে যাবে না। আপনার নিজেকেই মার্কেটিং করতে হবে। মানুষকে জানাতে হবে আপনি কে? আপনি কি করেন? আপনি কোন কাজগুলোতে দক্ষ। তাহলেই আপনাকে কাজ দিতে চাইবে।


Moshiur Monty
Digital Marketing Trainer, Bdjobs Training. 
web - http://moshiurmonty.com

চারশো বছর বছরের পুরনো বটগাছ এবং তাকে ঘিরে যত কিংবদন্তী

চারশো-বছর-বছরের-পুরনো-বটগাছ-এবং-তাকে-ঘিরে-যত-কিংবদন্তী

ছোটবেলা থেকেই গ্রামবাংলার প্রচলিত কিছু ধারণার কথা শুনে এসেছি এবং অনেক গল্প বা ঘটনার কথাও শুনেছি ! সেসব গল্প বা ঘটনার অধিকাংশই ছিল কোন বটগাছ, তেঁতুল গাছ এবং বাঁশঝাড়কে কেন্দ্র করে। এই গল্প বা ঘটনাগুলো কতটুকু সত্য তা যেমন নিশ্চিত করে বলা মুশকিল ঠিক তেমনি গ্রামবাংলার প্রচলিত কিছু ধারণা বা বিশ্বাস যা যুগ যুগ ধরে মানুষ তাদের চিন্তা ধারায় বহন করছে, কিন্তু তাদের এ বিশ্বাসের সঠিক ব্যাখ্যা পাওয়াও ততটাই মুশকিল ! তবে এমন অদ্ভূত বিশ্বাসের মজবুত কোন ভিত্তিতো অবশ্যই আছে যার সন্ধান বিজ্ঞানীরা এবং গবেষকরা আজ অবদি খুঁজে পাননি।

এমনি এক প্রাচীন বটগাছের সন্ধান পাওয়া গেছে ভারতের পাঞ্জাবের ফতেহগড় সাহেব জেলার অন্তর্গত চরোটি খেড়ি গ্রামে। সেখানে একটি প্রাচীন বট গাছকে কেন্দ্র করে দানা বেঁধেছে এরকমই কিছু অদ্ভুত রহস্যের কথা।
অতিকায় এই বটগাছের বয়স প্রায় ৪০০ বছর! গ্রামের মানুষের যত ক্ষতিই হোক তবু তাঁরা বটগাছটি কাটা তো দূরের কথা গাছটির একটি শেকড়ও কেউ কাটেনা ! তাঁদের ধারণা, এই গাছের নাকি রয়েছে অলৌকিক সব ক্ষমতা! অনেক অনুসন্ধানী দলও কৌতুহলবশত দেখতে আসে এই বটগাছটিকে। কিন্তু সত্যি এই গাছ দেখলেই কেমন অন্যরকম অনুভূতি হয় গা ছম্‌ছম্‌ করে যেকোন মানুষেরস! বিস্তৃত বটগাছটির বিশাল দেহ। উপরে নীচে অনেকখানি অংশ জুড়ে আধিপত্য বিস্তার করছে প্রাচীন এই বটগাছটি। বটগাছটি যেন আস্তে আস্তে সব নিজের দখলে নিতে চাইছে আর যেন গাছটির দিকে আড়চোখে তাকানো মানুষদের দ্রুত সরে যেতে হুমকি দিচ্ছে! স্থানীয় মানুষের বিশ্বাস, কেউ এই গাছের একটি শেকড় কাটলেই কিছুদিনের মধ্যেই তাকে ঢলে পড়তে হবে অবধারিত মৃত্যুর কোলে।
এই বটগাছের আশেপাশে রয়েছে জনবসতি এবং কৃষিজমি। অন্য সব বটগাছের মত এই গাছের শেকড়ও সুযোগ পেলেই মাটির ভেতর দিয়ে ছড়িয়ে পড়ে আশেপাশের জমিতে। অনেক সময়ে পার্শ্ববর্তী কৃষিজমিতেও শক্তিশালী হানা দেয় গাছটির শেকড়!  মাটির নীচে বট গাছের মোটা শেকড় থাকলে চাষবাসের অসুবিধা হয়। ফলে সেই শেকড় কেটে ফেলাই বিধেয়। কিন্তু সেখানকার লোকজন কখনই এই গাছের শেকড় কাটেনা। কারণ যারাই নাকি কেটেছে এর শেকড় সে অথবা তাঁর নিকটতম আত্মীয় ঢলে পড়েছে মৃত্যুর কোলে অথবা আত্মহত্যা করেছে তাদের কেউ।
ঐ গ্রামের একজন বয়স্ক লোক অনিল চৌহান কে এই গাছ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে সে জানায়, সে তাঁর জীবনে এমন অনেক উদাহরণ দেখেছে যারা এই গাছের শেকড় কাটার কিছুদিনের মধ্যেই অস্বাভাবিকভাবে মারা গেছে, আত্মহত্যা করেছে অথবা তাঁর নিকট কোন আত্মীয় হঠাৎ করেই মারা গেছে। তাঁর যৌবনকালে এক কৃষকের কথা মনে আছে। যার জমিতেও এই গাছের শেকড় আটকে গিয়েছিল। ফলে সে এর একটি শেকড় কেটে ফেলে।শেকড় কাটার সাতদিন পরেই সে কলেরা হয়ে মারা যায়।
এছাড়া মাত্র বছর দশেক আগেও এক যুবক প্রচলিত এই ধারণা ভুল প্রমাণ করতে এর একটি শেকড় কাটে। কিন্তু তার ঠিক দশদিন পরে যুবকের স্ত্রী আত্মহত্যা করে! এসব বিভিন্ন ঘটনার কারণে এই গাছের শেকড় কেউ কাটে না যতই ক্ষতি হোক। প্রয়োজনে চাষাবাদ বন্ধ করে দিয়ে অন্যত্র চলে যায়।
আরেকদিকে চরোটি খেড়ির বাসিন্দাদের কাছে গাছটি শুধুমাত্র যে ভয়ের সামগ্রী তা নয়, বরং তাঁরা শ্রদ্ধাও করেন এই বটগাছটিকে। কারণ তাঁদের বিশ্বাস, এই গাছে নাকি বৃক্ষদেবতার অধিষ্ঠান। যার জন্যই অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী বটগাছটি ! গাছটিকে কেন্দ্র করে পূজার্চনাও লেগে থাকে। বিভিন্ন কারণে তাদের মনে বৃদ্ধি পেয়েছে এই গাছের আধ্যাত্মিক মাহাত্ম্য। মানুষের কাছে ভয় এবং ভক্তির অদ্ভূত সংমিশ্রণ প্রাচীন বটগাছকে ঘিরে।
স্রষ্টা তাঁর সৃষ্টিজগতকে রহস্য দিয়ে ঘিরে রেখেছেন, সেজন্যই কিছু কিছু রহস্য ভেদ করা দুঃসাধ্য ব্যাপার মানুষের পক্ষে। তবে এর সত্যতা সম্পর্কে এখনও অনেকেই সুনিশ্চিত না। দেখা যাক ভবিষ্যতে হয়ত জানবো।
তথ্যসুত্র: ইন্টারনেট

লিখেছেন - Fatema Tanya 

সাম্প্রতিক বিশ্ব সিনেমার এক দুর্দান্ত আবিষ্কার ‘ডুব’



সাম্প্রতিক বিশ্ব সিনেমার এক দুর্দান্ত আবিষ্কার ‘ডুব’

চলতি বছরের বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমার নাম ‘ডুব’। মোস্তফা সরয়ার ফারুকী পরিচালিত ছবিটি নির্মাণের শুরু থেকেই ছিল আলোচনার শীর্ষে। ছবির বাজেট, কাস্টিং, গল্প এবং সেন্সর বোর্ডের বাধা সব মিলিয়ে ছবিটি প্রচারমাধ্যমে বিস্তর হাইপ তৈরি করেছে। যা মুক্তির আগে যেকোনো বাংলা সিনেমার ক্ষেত্রে বিরল।
শুধু তাই না, ছবিটি দেশের মাটিতে ২৭ অক্টোবর মুক্তি পেলেও এরইমধ্যে বিশ্বের নামিদামি ফিল্ম ফেস্টিভালগুলোতেও প্রদর্শন ও প্রতিযোগিতা করে এসেছে। সদ্য সমাপ্ত বুসান আন্তর্জাতিব ফিল্ম ফেস্টিভালেও ছবিটি প্রদর্শীত হয়েছে। বাংলাদেশে মুক্তির আগেই যেখানে বসে ছবিটি দেখেছেন দেশ বিদেশের বেশকিছু মেধাবী নির্মাতারা। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কাগজেও এসেছে ছবিটি নিয়ে অসাধারণ সব রিভিউ। কিন্তু বুসান ফিল্ম ফেস্টিভালে বসে ‘ডুব’ দেখার পর ছবিটি নিয়ে মুল্যায়ণধর্মী একটি লেখা লিখেছেন দর্শকপ্রিয় ও সমালোচকদের কাছে প্রশংসনীয় ছবি ‘জালালের গল্প’র নির্মাতা আবু শাহেদ ইমন। ফারুকীর ‘ডুব’ নিয়ে এই নির্মাতার মুল্যায়ণ চ্যানেল আই অনলাইন পাঠকদের জন্য হুবুহু তুলে ধরা হল-
১৫ অক্টোবর এশিয়ান ফিল্ম একাডেমীর কাজ শেষ করে বুসানের সেন্টাম সিটির লত্তে সিনেমা হলে দেখি ‘ডুব’ ছবির কোরিয়ান প্রিমিয়ার। প্রচণ্ড আত্মবিশ্বাসী ক্যামেরা আর ধীর নির্দেশনায় ফারুকি ভাইয়ের এই কাজটি আগের সবগুলো কাজ ছাড়িয়ে গেছে। অবাক চোখে নিয়ে দেখি ফারুকি ভাইয়ের নতুন ঢঙের গল্প বলা। ধীর, স্থির, শান্ত গল্পের পরতে পরতে ছিল সুপ্ত এক আগ্নেয়গিরি।
অগ্নুৎপাত না ঝড়িয়ে গল্পের ভাজে ভাজে দেখিয়েছেন চরিত্রগুলোর অসহায়ত্ব। ভিলেনহীন ছবিটিতে দর্শকের মননে লুকিয়ে থাকা নৈতিক-অনৈতিক বোধগুলোই যেন এক একজন ভিলেন হয়ে সামনে আসে। নিজ ভাষায় নির্মিত বলেই চোখে জল আসছিল কিনা বোঝার জন্য সন্তর্পণে চোখ মুছতে মুছতে আসে পাশে খেয়াল করি! কোরিয়ান সহ বিদেশী আর দর্শকের একি সাথে চোখ মোছা দেখে বুঝতে পারি… স্থান-কাল-পাত্রের সীমারেখা ভেদ করে ‘ডুব’ হয়ে উঠেছে মানবিক ও সার্বজনীন।
আমাদের সিনেমা যখন তর্জন-গর্জন-চিৎকারে নিজেদের মত করে গল্পের অলগলি খুঁজে বেড়াচ্ছে ‘ডুব’ তখন সন্তর্পনে এগিয়ে যায় নির্দেশকের স্থির দেখার চোখ দিয়ে। শান্ত ছিল খুব চরিত্রগুলো! এরা চিৎকার করে দুঃখের বয়ান কেউ দেয়নি। শক্তিমান অভিনেতার বাংলাদেশি সংজ্ঞার মত অনেক বলিষ্ট কণ্ঠে অভিনয় দেখিয়ে দিতে চায়নি। চরিত্রগুলো চরিত্র হয়ে উঠতে উঠতেই তাই মনের মধ্যে দাগ কেটে যায়।
ছবি শেষ হরার পর ফারুকি ভাইয়ের আগের সব কাজ ছাড়িয়ে নতুনভাবে এই ডুবকে আবিষ্কারে তাই আমি ক্রিটিক বা নির্মাতা না বরং একজন দর্শক হিসেবে ‘ডুব’ সিনেমার মাহাত্ম বুঝতে পারি। আমার কাছে বাংলাদেশের গণ্ডি পেরিয়ে ‘ডুব’ সাম্প্রতিক বিশ্ব সিনেমার এক দুর্দান্ত আবিষ্কার। নিজের গল্প বলাতে এত সাবলীলতা আর ‘ডুব’-কে কেন্দ্র করে গত কয়েক মাসে চলমান ঘটনাপ্রবাহ তাই বাস্তব আর সিনেমাকে যেন একি সুতোয় গাঁথে। দর্শক হিসেবে ডুবের গল্প যেন শুরু হয় ছবিটির শেষ দৃশ্যে!মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ভাইকে অভিবাদন নিজের নির্মানে এই সাহসিক যাত্রার জন্য। দলে বলে হলে যাবার সময় এখন।

আবির যখন পুলিশ


আবির যখন পুলিশ

সবে এস,এস,সি পাশ করেছে আবির। অসচ্ছল পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধা বাবা আর পারবেন না আবিরের লেখা-পড়ার খরচ যোগাতে। আর খরচ করেছেই বা কবে! মা অপরের বাড়িতে ঢেঁকিতে ধান ভেঙ্গে বা ময়লা কাপড় কেঁচে পরিস্কার করে যা রোজগার করেছে তার সিংহভাগই খরচ হয়েছে আবিরের লেখা-পড়ায়। এখন বয়স বেড়েছে আবিরের মায়ের কিন্তু কমেছে কোমরের জোর। ঢেঁকিতে ধান ভাঙ্গা বা কাপড় কাঁচা আর সম্ভব নয়। তাই সাফ জানিয়ে দিয়েছে আবিরের মা, তিনি আর পারবেন না আবিরের খরচ জোগাতে।
আবিরের চোখে নেমে আসে ঘন কালো অন্ধকার। তার সহপাঠিরা যখন কলেজে ভর্তি হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে, আবির তখন তার সংসারের করুন দশা ভেবে ভেবে আড়ালে চোখের জল ফেলছে। সামান্য এসএসসি পাশ করে সে কি করে সংসারের হাল ধরবে সেটা ভেবেই ব্যাকুল হয়ে পড়ে। বাজারে গিয়ে শুনতে পায় পুলিশের চাকুরীর সার্কুলার দিয়েছে। যোগ্যতা এসএসসি পাশ হলেই কনস্টেবল পদে ভর্তির জন্য আবেদন করা যাবে। অনেক খুঁজে একটি সার্কুলার কপি সংগ্রহ করে সে। যোগ্যতা অনুযায়ী বয়স এখনও পূর্ণ হয়নি তবে কয়েকদিনের মধ্যেই বয়স হয়ে যাবে। হিসাব করে দেখে যখন ভর্তি হবে তখন তার বয়স যোগ্যতা অনুযায়ী পূর্ণ হয়ে মাত্র দুই দিন বেশী হবে। এই দুই দিনে বেশী না হয়ে কম হলে সে আবেদন করতে পারতো না।
সার্কুলার অনুযায়ী আবির সকল কাগজ-পত্র সংগ্রহ করে। কিন্তু ব্যাংক ড্রাফটের ১০০ টাকা তার কাছে নেই। রাতে মাকে জানায় তার ইচ্ছার কথা। মা প্রথমে বিশ্বাস করেনা যে কোন তদবির বা মাধ্যম ছাড়া পুলিশের চাকুরী হতে পারে। পরে আবির অনেক বুঝিয়ে বললে আল্লাহর উপর ভরসা করে তার মা অনুমতি দেয় এবং ব্যাংক ড্রাফটের ১০০ টাকা দিতে রাজী হয়। নির্ধারিত দিন সকালে আবির পুলিশ লাইনে গিয়ে হাজির হয় এবং প্রাথমিকভাবে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কোঠায় শারীরিক মাপে উত্তীর্ণ হয়।
লিখিত পরীক্ষায় সকল প্রার্থীদের মধ্যে সে দ্বিতীয় স্থান লাভ করে। এরপর মৌখিক পরীক্ষায় সে পরীক্ষা বোর্ডের নিকট তার বাবার মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের কথা এবং পারিবারিক দৈন্যতার কথা তুলে ধরে। পরীক্ষা বোর্ডের সদস্যরা তার প্রতি সন্তুষ্ট হন এবং নিয়োগের জন্য মেডিকেল পরীক্ষার অনুমোদন দেন। এরপর মেডিকেল পরীক্ষায় কিছু টেস্ট করতে টাকা লাগলে সে তার নিকট টাকা নেই বললে পুলিশ লাইনের কয়েকজন পুলিশ সদস্য তাকে টাকা দিয়ে সাহায্য করেন। পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হলে ডাক পড়ে আবিরের পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে। ৬ মাস অনেক কষ্টে প্রশিক্ষণ সমাপ্ত করে যোগ দেয় নতুন কর্মস্থলে।
আজ চাকুরীর প্রথম বেতন হতে পেয়ে আবির খুব কেঁদেছে। এই টাকার জন্য তার মা কত কষ্ট করেছে! বাবা মুক্তিযুদ্ধে সম্মূখ যুদ্ধে আহত হয়েও দেশের জন্য যুদ্ধ করেছেন। দিনের পর দিন একবেলা খেয়ে বাকি দুইবেলা না খেয়ে উপোস রয়েছে। দৌড়ে পুলিশ লাইন ক্যান্টিনে গিয়ে মোবাইল ফোন দিয়ে পাশের বাড়ির চাচীর মোবাইলে ফোন দিয়ে মায়ের সাথে কথা বলে। “মা তোমাকে আর কষ্ট করতে হবেনা, এখন থেকে আমি প্রতি মাসে তোমাদের খরচের টাকা পাঠিয়ে দিবো”। মা শুনে খুশি হয়ে আশির্বাদ করে “বাবা আমাদের কথা ভাবিস না, তোমার শরীরের প্রতি আগে লক্ষ রাখো”। আবিরের দু’চোখ দিয়ে আনন্দাশ্রু বের হয়ে গড়িয়ে পড়ে। অন্য এক অনন্য অনুভুতির মা ছেলের কথোপকথন লিখে প্রকাশ করা যাবে না। এ কান্না আনন্দের, এ কান্না সুখের, এ কান্না আশাহত জীবনে সুখ স্বপ্ন দেখার।

Hafizur Rahman
Source:  BP HELPLINE

কারিগরি শিক্ষা কীভাবে মূলধারা হবে?


শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে পরিচালিত ‘স্কিলস অ্যান্ড ট্রেইনিং এনহ্যান্সমেন্ট প্রজেক্ট’ নামের এক প্রকল্পের আওতায় প্রতিবছর ‘জাতীয় স্কিলস কমপিটিশন’-এর আয়োজন করা হয়। গত তিন বছর এই আয়োজন চলছে। দেশের পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটগুলোর শিক্ষার্থীরা এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন। এ বছরের চূড়ান্ত পর্বের প্রতিযোগিতা উদ্বোধন করা হয় গত ২৫ ফেব্রুয়ারি শনিবার। রাজধানীর আইডিবি মিলনায়তনে ওই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, ‘দক্ষতাবিহীন সনদভিত্তিক শিক্ষা ব্যক্তি, পরিবার ও জাতির জন্য বোঝা তৈরি করে। তাই কারিগরিই হবে শিক্ষার মূলধারা। এ জন্য সরকার পর্যায়ক্রমে শিক্ষাকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেবে।’
ওই অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, সরকার ইতিমধ্যে কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ভর্তির হার দেশের মোট শিক্ষার্থীর ১ থেকে ১৪ শতাংশের ওপরে উন্নীত করেছে। ২০২০ সালের মধ্যে ২০ শতাংশ এবং ২০৩০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশকে কারিগরি শিক্ষায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এই তথ্য খুবই আশাব্যঞ্জক, কারণ কারিগরি শিক্ষা ও সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রগুলোতে উপযুক্ত প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের কর্মসংস্থানের সুযোগ অপেক্ষাকৃত বেশি। তাই তাঁদের মধ্যে বেকারত্বের হার সবচেয়ে কম।
২০১৩ সালের শ্রমশক্তি জরিপের তথ্য অনুযায়ী, মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ব্যক্তিদের মধ্যে বেকারত্বের হার সাড়ে ৭ শতাংশ, উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ব্যক্তিদের মধ্যে এ হার ১৩ দশমিক ৬ শতাংশ। কিন্তু স্নাতক ও স্নাতক-পরবর্তী পর্যায়ে শিক্ষিত ব্যক্তিদের মধ্যে বেকারত্বের হার ১৬ দশমিক ৪ শতাংশ। অর্থাৎ যে ব্যক্তির শিক্ষার ডিগ্রি যত বড়, তাঁর বেকার থাকার আশঙ্কা সবচেয়ে বেশি। আরও একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, স্নাতকের নিচ পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন এমন ব্যক্তিদের মধ্যে বেকারত্বের হার কয়েক বছর ধরে কমে যাচ্ছে। ২০১৩ সালের শ্রমশক্তি জরিপেই দেখা গেছে, ২০১০ থেকে ২০১৩—এই তিন বছরে এসএসএসি ও এইচএসসি পাস করা তরুণ-তরুণীদের বেকারত্বের হার কমেছে। কিন্তু একই সময়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী উচ্চশিক্ষিত ব্যক্তিদের মধ্যে বেকারত্বের হার সাড়ে ৬ শতাংশ বেড়েছে। ২০১০ সালে এই হার ছিল ৯ দশমিক ৯ শতাংশ; আর ২০১৩ সালে হয়েছে ১৬ দশমিক ৪ শতাংশ।



সুতরাং শিক্ষিত যুবসমাজের বেকারত্বের হার কমাতে হলে, কিংবা তা যেন আর বাড়তে না পারে সেই ব্যবস্থা করতে হলে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমিয়ে তার নিচের পর্যায়ের কারিগরি শিক্ষার প্রতি তাঁদের আরও বেশি আকৃষ্ট করতে হবে। সেই দিক থেকে কারিগরি শিক্ষাকে শিক্ষার মূলধারায় পরিণত করার সরকারি পরিকল্পনা অবশ্যই প্রয়োজনীয় ও বাস্তবসম্মত।
কিন্তু এই পরিকল্পনা সফলভাবে বাস্তবায়ন করা কঠিন হবে যদি শিক্ষাক্ষেত্র ও শ্রমবাজারের সামগ্রিক পরিস্থিতির দিকে নজর দেওয়া না হয়। বিশেষ করে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে যে অপরিণামদর্শিতা ও পরিকল্পনাহীনতা লক্ষ করা যাচ্ছে, তা অব্যাহত থাকলে কারিগরি শিক্ষাকে শিক্ষার মূলধারায় পরিণত করা এবং বেকার সমস্যার সমাধান করা অত্যন্ত কঠিন হবে।

উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে যা চলছে, তা দেখে বাঝার উপায় নেই এ বিষয়ে সরকারের পরিকল্পনা কী। অদূরদর্শিতা এমনকি অপরিণামদর্শিতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে যখন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও এ স্তরের শিক্ষার্থীর সংখ্যার দিকে তাকানো হয়। দেশে এখন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ৩৯। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন পরিচালিত প্রায় ৭০০ সরকারি-বেসরকারি কলেজে অনার্স-মাস্টার্স খোলা হয়েছে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বাড়তে বাড়তে প্রায় ১০০ হতে চলেছে। এসব উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতিবছর স্নাতক (পাস), স্নাতক (সম্মান) ও মাস্টার্স পর্যায়ে প্রায় ১০ লাখ শিক্ষার্থী ভর্তি হন। প্রতিবছর এসব উচ্চ ডিগ্রি নিয়ে বেরিয়ে আসেন প্রায় ৭ লাখ। কিন্তু এত বিপুলসংখ্যক উচ্চশিক্ষিত লোকবলের চাহিদা কি আমাদের শ্রমবাজারে আছে? এর অর্ধেকেরও নেই। তাই তো প্রতিবছর প্রায় ৩ লাখ উচ্চশিক্ষিত তরুণ-তরুণী বেকারের তালিকায় যুক্ত হচ্ছেন। এ দেশে এসব উচ্চশিক্ষিত বকারের সংখ্যা এভাবে বাড়তে বাড়তে এখন প্রায় ২০ লাখে পৌঁছেছে বলে পপুলেশন কাউন্সিল সূত্রে জানা গেছে।

দেশের শ্রমবাজারের কোন খাতে কতসংখ্যক উচ্চশিক্ষিত জনবল প্রয়োজন, তা নিরূপণ না করেই শত শত উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে খোলা হয়েছে এবং আরও খোলা হচ্ছে। উচ্চশিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত না করেই এখনো বছরে বছরে বেসরকারি খাতে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের অনুমোদন দেওয়ার পেছনে কী চিন্তা বা পরিকল্পনা কাজ করছে, তা মোটেই বোধগম্য নয়।
সেদিনের অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে ১৫ থেকে ৬৪ বছর বয়সী কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা ১০ কোটি ৫৬ লাখ, যা ৬৬ শতাংশ। ২০৩০ সালে এই হার ৭০ শতাংশে উন্নীত হবে। এ এক বিশাল সুযোগ। এ সুযোগ কাজে লাগাতে হবে। নতুন প্রজন্মকে আধুনিক কারিগরি প্রযুক্তিতে দক্ষ করে তুলতে হবে। তা না হলে এরাই হয়ে উঠবে দেশের জন্য বড় বোঝা।

তাহলে দেখা যাচ্ছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে বাস্তববাদী চিন্তা শুরু হয়েছে। কারিগরি শিক্ষাকে শিক্ষার মূলধারায় পরিণত করার পরিকল্পনা খুবই বাস্তবসম্মত এবং প্রয়োজনীয়। কিন্তু এই পরিকল্পনার বাস্তবায়ন কীভাবে সম্ভব, সেটাও ভেবে দেখা দরকার। কারণ, সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পরিচালিত কলেজগুলোতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর স্তরের পড়াশোনা অব্যাহত থাকছে। এই উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে, এমন তো নয়। তাহলে প্রতিবছর যে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী এসব উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হচ্ছেন, তাঁদের নিরস্ত করার উপায় কী? বা নৈতিকভাবে সেটা করার অধিকার কারও আছে কি না? শিক্ষার্থীমাত্রই সামর্থ্য থাকলে উচ্চশিক্ষা অর্জন করতে চান। অভিভাবকেরাও চান তাঁদের ছেলেমেয়েরা উচ্চশিক্ষিত হোক। কিন্তু সেই উচ্চশিক্ষার উপযোগী জীবিকার সংস্থান এই দেশে আছে কি না, সেটা তাঁরা বিবেচনা করেন না। তাঁদের মধ্যে সেই বিবেচনাবোধ জাগানোর উপায় কী?

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পরিচালিত কলেজগুলোতে অনার্স-মাস্টার্স স্তরে আসনসংখ্যা অপরিকল্পিতভাবে বাড়াতে বাড়াতে এখন এক অসম্ভব শিক্ষা-পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। কোনো কোনো বড় সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীর সংখ্যা এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সংখ্যার চেয়েও বেশি হয়ে গেছে। কিন্তু সেসব কলেজে প্রয়োজনীয়সংখ্যক শিক্ষক নেই, শ্রেণিকক্ষ নেই, শিক্ষার উপযুক্ত পরিবেশ বলতে যা বোঝায়, তা নেই। এক দিকে এই অবস্থা অব্যাহত থাকবে, অন্য দিকে কারিগরি শিক্ষাকে মূলধারায় পরিণত করা হবে—এমন স্বপ্ন সফল করা কীভাবে সম্ভব?

মশিউল আলম: লেখক ও সাংবাদিক৷
mashiul.alam@gmail.com

# স্যারের লেখা খুব ভালো লাগে । লিখাটা প্রথম আলো থেকে নেয়া , শিরোনামটা ও সেখানে থেকে কপি করা । যদি ও তাদের অনুমতি নেয়া হয়নি । এই ব্যাপারে কারো কোন অভিযোগ  থাকলে বার্তা পাঠানোর অনুরোধ রইলো । 

" MD Shahidul isalma Sharif " 


হয়তো গল্প কিংবা দেখা কোন অবিজ্ঞতা

পাটোয়ারি বিল্ডিং এর গলিতে কিছুদিন ধরে যাতায়াত করতে হয় । গোলমাল এড়ানোর জন্য মসজিদের নিরিবিলি ব্যাবহার করি যদিও চিপা গলি । কোন গাড়ি ঘোড়া চলে না, বেশিরভাগ সময় নামাজীরা আর আমার মত কিছু অপদার্থ ছায়ারাই চলাচল করে । প্রতিবারের মতই আজও সেই পথে বাড়ি ফিরছিলাম । মসজিদ পার করে বড় রাস্তার কাছে আসতে চোখে পরলো দুটি ছায়া মূর্তি । আড় চোখে ভালো করে দেখতেই বুঝলাম নর-নারী দাঁড়িয়ে আছে এবং মেয়েটি ছেলেটির কলার ধরে আছে ।
- আমারে ফোন নাম্বার দে ।
- কলার ছাড় কইলাম, রাস্তার মাঝে সিন্ডিকেট করবিনা কইলাম ।
- ফোন নাম্বার দে ।
আমি গলিতে মোচর কাটতেই আপছা চোখে পড়লো । ছেলেটা মেয়েটাকে একটা থাপ্পর দিলো । তারপর কি হলো ?? বলতে পারবোনা । আমি সামনে আগাতে থাকলাম আর ভাবলাম , জীবনে অনেক শুনেছি আজ দেখলাম । প্রতিদিন বড় হচ্ছি আর পৃথিবীটাকে শিখছি ।
( এই লিখাটা ২০১২ সালে লিখা, ইতোমধ্যে দিন অনেক পার হয়েছে )

fundamentalsharif


Start Work With Me

Contact Us
Dhaka, Bangladesh
Md Shahidul Islam Sharif
+8801677-118081, +8801707073323